শাওমির বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত তথ্য চুরির অভিযোগ

২ মে, ২০২০ ০৯:১০  
শাওমির বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ উঠলো। গ্রাহকের ব্রাউজিং ডেটা নিঃশব্দে চীনে পাঠাচ্ছে সংস্থাটি। সম্প্রতি এক ইন্টারনেট সুরক্ষা সংস্থা স্মার্টফোন প্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ এনেছে। জানানো হয়েছে চীনে আলিবাবার সার্ভারে গ্রাহকের ব্রাউজিং ডেটা পাঠায় বেজিংয়ের কোম্পানিটি। স্মার্টফোনের সঙ্গে থাকা ওয়েব ব্রাউজারের তথ্যের সঙ্গেই ‘ইনকগনিটো' মোডের ব্রাউজিং ডেটাও চীনে পাঠাচ্ছে শাওমি। এই অভিযোগ খারিজ করে দিয়ে শাওমি জানিয়েছেন, গ্রাহকের পরিচয় গোপন রেখে ব্রাউজিং ডেটা সংগ্রহ করা হলেও তা অন্য কোম্পানির সঙ্গে শেয়ার করা হয় না। ইন্টারনেট সুরক্ষা গবেষক গাবি সার্লিগ ও অ্যান্ড্রু টিয়ের্নি শাওমি ফোনের সুরক্ষা গাফিলতি সামনে এনেছেন। তারা জানিয়েছেন, গ্রাহকের সম্মতি না নিয়েই ব্রাউজিং ডেটা সংগ্রহ করছে চীনের কোম্পানিটি। সম্প্রতি জনপ্রিয় ফোর্বস ম্যাগাজিনে প্রকাশিত রিপোর্টে এই কথা জানানো হয়েছে। সার্লিগ জানিয়েছেন রেডিমি নোট ৮ ফোনের ব্রাউজিং ডেটা আলিবাবার সার্ভারে পাঠিয়েছে শাওমি। এছাড়াও সার্লিগ ও টিয়ের্নি জানিয়েছেন গুগল প্লে-স্টোর থেকে শাওমি ব্রাউজার ডাউনলোড করলেও একই সমস্যা থেকে যাচ্ছে। প্লে-স্টোর থেকে প্রায় দেড় কোটি বার এই ব্রাউজার ডাউনলোড হয়েছে। এর জবাবে শাওমি কতৃপক্ষ দাবি করেছে, পুরো প্রক্রিয়াটি বেনামে এনক্রিপ্ট করা হয়েছে। সমন্বিত ব্যবহারের এই ডেটা সংগ্রহ শুধুমাত্র অভ্যন্তরীণ বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। শাওমি এই ডেটা ব্যক্তিগতভাবে সনাক্তযোগ্য কোনো তথ্যকে লিঙ্ক করে না। এটি ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা এবং ডেটা সুরক্ষা যেমন নিশ্চিত করে তেমনি সামগ্রিক ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করে। এটি বিশ্বজুড়ে ইন্টারনেট সংস্থাগুলি দ্বারা গৃহীত একটি সাধারণ সমাধান। বৈশ্বিক এই ব্র্যান্ডের পক্ষ থেকে বলা হয়ছে, শাওমি এমন একটি পাবলিক ক্লাউড অবকাঠামোতে তথ্য হোস্ট করে যা এই ইন্ডাস্ট্রিতে সুপরিচিত। শাওমির বিদেশী পরিসেবা এবং ব্যবহারকারীদের সমস্ত তথ্য বিদেশের বিভিন্ন সার্ভারগুলিতে জমা থাকে এবং সেখানকার স্থানীয় ব্যবহারকারীর গোপনীয়তা সুরক্ষা আইন এবং বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়।